Vivo Y51 সম্পর্কে বিস্তর গবেষনা

হ্যালো জনগণ। কেমন আছেন আপনারা? ভালো আছেন তো? আজকে চলে এসেছি ভিভো-এর রিসেন্ট র;এজ হওয়া স্মার্টফোন Vivo Y51 নিয়ে আলোচনা করতে। বাংলাদেশ সহ সব দেশেই অনেক ভালো নাম ডাক করেছে ভিভো কোম্পনী। আবার ওদের Funtouch OS এর জন্য অনেক সমালোচনায়ও পড়তে হয়েছে। চলুন শুরু করা যাক।

বডি এবং নেটওয়ার্ক

এই ফোনের বডি ডাইমেনশন হচ্ছে 159.3 x 75.2 x 8.7 mm . ১৮৬গ্রাম ওজনের এই ফোন প্লাস্টিক বিল্ডের। কিন্তু এতে কী কোন গ্লাসের প্রটেকশন ব্যবহার করা হয়েছে কিনা তা এখনো জানা যায় নি। তবুও বলা যায় গরিলা গ্লাস ৩ প্রটেকশন থাকতে পারে।

এবং এতে আছে ডুয়াল ন্যানো সিম স্লট। যার ফলে আপনি একই সাথে দুইটা ন্যানো সিম ব্যবহার করতে পারবেন। এবং দুটি সিমেই এক সাথে ৪জি ব্যবহার করা যাবে। যার নেটওয়ার্ক টাইপ গুলো হল GSM/HSPA/LTE।

ডিসপ্লে

গতানুগতিক ধারা ছেড়ে ভিভো এই ফোনে দিয়েছে সুপার এমোলেড ডিসপ্লে। ৬.৩৮ইঞ্চি এই ডিসপ্লের স্ক্রীন ট বডি রেশিও অচ্ছে ৮৩.৪%। অনেক চিকন বেজেল নিয়ে গঠিন এর প্যানেল। এবং এর রেজুলেশন হচ্ছে ১০৮০*২৩৪০ পিক্সেল। যার ডেন্সিটি ৪০৪পিপিয়াই। সুপার এমোলেড ডিসপ্লে হওয়ার এতে ভিউয়িং আউটপুট নিয়ে হতাশ থাকার কথা না। এমোলেড ফ্যানদের জন্য এটি সুখবর বলা চলে।

চিপসেট এবং প্ল্যাটফর্ম

Vivo Y51 এ ব্যবহার করা হয়েছে স্ন্যাপড্রাগন ৬৬৫ ১১ন্যানোমিটারে প্রসেসর। স্ন্যাপড্রাগন মানেই অন্য লেভেলের পার্ফরমেন্স। তো এই ফোনের পার্ফরমেন্সও অনেক ভালো হবে আশা করি। কিন্তু এতে ব্যবহার করা হয়েছে Android 10 বেইসড ফান্টাচ ওএস। এই ওএস নিয়ে অনেকেরই অভিযোগ আছে।

ক্যামেরা

এবার চলে আসা যাক ক্যামেরা সেকশনে। Vivo Y51 এ আছে কোয়াড ক্যামেরা সেটাপ। চার চারটি ক্যামেরা নিয়ে এর পিছন ভর্তি। প্রাইমারী হিসেবে থাকছে ৪৮মেগাপিক্সেলের ওয়াইড ক্যামেরা। আল্ট্রা-ওয়াইড হিসেবে থাকছে ৮এম্পি ক্যামেরা। ম্যাক্রো ও ডিপথ ক্যামেরা থাকছে ২মেগাপিক্সেলের।

ফ্রন্ট সেকশনে থাকছে ১৬মেগাপিক্সেলে ক্যামেরা। ফ্রন্ট এবং রেয়ার দুদিকেই ভিডিও করা যাবে ১০৮০পি তে ৩০এফপিএসে।

মেমোরী

এই ফোনের র‍্যাম হিসেবে থাকছে ৪জিবি, এবং ইন্টার্নাল স্টোরেজ হিসেবে থাকছে ১২৮জিবি। যাকিনা একস্ট্রা মেমোরী দিয়ে বাড়ানো সম্ভব। সেক্ষেত্রে একটি সিম স্লট ব্যবহার করতে হবে।

ব্যাটারী

Vivo Y51 এ ব্যবহার করা হয়েছে ৪Li-Po 4500 mAh, non-removable ব্যাটারী। গেমিং ছাড়া ডেইলি নরমাল ইউজে অনায়াসে ১দিন চলে যাবে চার্জ দিলে। ফাস্ট চার্জিং ১৮ওয়াটের সাপোর্টড ডিভাইস এটি।

সাউন্ড, কানেক্টিভিটি এবং ফিচার্স

এই ফোনে ব্যবহার করা হয়েছে লাউডস্পিকার এবং ৩.৫এমএম অডিও জ্যাক। যার কারনে আপনি যেকোন ইয়ারফোন/হেডফোন ব্যবহার করতে পারবেন কোন ঝামেলা ছাড়াই। আর ওয়াই-ফাই হিসেবে থাকছে ডুয়াল ব্যান্ড। যার কারনে আপনি ৫গিগাহার্টজ ব্যান্ডের ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সুবিধাও নিতে পারবেন। এবং এতে ওটিজি ব্যবহার করা হয়েছে। বিল্ট-ইন এফএম রেডিও রয়েছে, সাথে জিপিএস। এবং টাইপ-সি পোর্ট। এবং এক্সট্রা ফিচার্স হিসেবে আছে accelerometer, gyro, proximity, compass সেন্সর সমূহ। এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরটি আছে ডিসপ্লে এর নিচে। অর্থাৎ অপটিক্যাল ফাইবার দ্বারা রিড নিবে সেন্সরটি।

 

ভিভোর লক্ষই থাকবে যারা ক্যামেরা পছন্দ করে তাদের। অর্থাৎ এদের মেইন টার্গেট হচ্ছে ফটোগ্রাফি লাভারদের। কিন্তু ইদানিং ভিভো ভালো ভালো স্পেক দিয়ে ফোন রিলেজ করে তাল মেলানোর চেষ্টা করতেছে। এটা আসলেই ভালো খবর। তো এই ফোনে আপনি গেইমিং , ডেইলি ইউজ , ফটোগ্রাফি সবই করতে পারবেন। বলা চলে কম টাকায় ভালো প্রডাক্ট। কিন্তু প্রাইসিং কম হবে বলে আমার মনে হয় না।

Mystic Black, Jazzy Blue, Dreamy White এই তিনটি কালার ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাবে এই ফোনটি।

যাইহোক কোন কিছু জানতে চাইলে কমেন্ট করতে পারেন। অথবা ফেসবুকে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন টেক রিলেটেড যেকোন কিছু জানাত জন্য।

আমার অন্য ফোনের আর্টিকেল পড়তে চাইলে ক্লিক করুন।

আমাকে ফেসবুকে ফলো করতে চাইলে ক্লিক করুন এখানে।

ভালো থাকবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here