Vivo S1 Pro a Mid Budget Phone

হ্যালো জনগণ। কেমন আছেন আপনারা? ভালো আছেন তো? আজকে চলে এসেছি ভিভো-এর মিড বাজেটে রিলিভ হওয়া Vivo S1 Pro এর বিস্তারিত নিয়ে। যদিও ২০১৯ এর ফোন, কিন্তু বাংলাদেশে এই ফোন এই কয়েকদিন আগেই লঞ্চ হলো। তো চলুন শুরু করি আজকের পর্ব।

বডি এবং নেটওয়ার্ক

এই ফোনের বডি ডাইমেনশন হচ্ছে 159.3 x 75.2 x 8.7 mm. ১৮৬.৭ গ্রাম ওজনের এই ফোন সবটাই গ্লাস বিল্ডের। যার কারনে আলাদা এক ধরনের প্রিমিয়াম ফিল পাবেন। সামনে পিছনে গ্লাস, সাইডে ফ্রেম হচ্ছে অ্যাালুমিনিয়াম এর। বাট কী ধরনের গ্লাস প্রটেকশন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে তা বলা হয়নি।

দুঃখের কথা হচ্ছে এই ফোনে মাত্র সিঙ্গেল ন্যানো সিম ব্যবহার করা যাবে। আবার ডুয়াল হাইব্রিড সীম স্লটও আছে। অর্থাৎ দুই ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাবে এই ফোন।

ডিসপ্লে

এই মিড বাজেটের ফোনে ব্যবহার করা হয়েছে সুপার এমোলেড ডিসপ্লে। ৬.৩৮ ইঞ্চি এই ডিসপ্লে ৮৩.৪% জায়গা দখল করে রেখেছে এই ফোনের। যার কারনে বেজেল একদম দেখাই যায় না। ডিসপ্লে রেজুলেশন হচ্ছে ১০৮০*২৩৪০ , যার ডেনসিটি হচ্ছে ৪০৪পিপিয়াই। কন্টেট ভিউ করেন আর ব্রাউজিং করেন, চোখে অন্যরকমের শান্তি পাবেন।

চিপসেট এবং প্ল্যাটফর্ম

ভিভো S1 Pro তে ব্যবহার করা হয়েছে স্ন্যাপড্রাগন ৬৬৫ ১১ন্যানোমিটারের প্রসেসর। প্রসেসরটি মিড বাজেটে একদম কিলার পর্যায়ের। এতে আপনি গেমিং-এ যেমন ভালো পার্ফরমেন্স পাবেন, তেমনি নরমাল ইউজেও ভালো পারফরমেন্স পাবেন। এতে ওএস হিসেবে থাকবে অ্যাান্ড্রয়েড পাই বেইসড ফানটাচ ৯.২।

ক্যামেরা

কোয়াড ক্যামেরা সেটাপ নিয়ে এর রেয়ার ক্যামেরা গঠিত। প্রামারীতে থাকছে ৪৮মেগা এর ওয়াইড ক্যামেরা। আল্ট্রা ওয়াইড হিসেবে থাকছে ৮মেগাপিক্সলে। ম্যাক্রো এবং ডিপথে থাকছে ২মেগাপিক্সেল করে। যার কারনে ফটোগ্রাফি অনেক শান্তিতে করতে পারবেন।

ফ্রন্ট ক্যামেরাতে ভিভো কখনো কিপটামি করে না। সেজন্যই তো ৩২মেগাপিক্সেল এর এক ক্যামেরা দিছে । পিছন এবং ফ্রন্ট দুই দিকেই ভিডীও করতে পারবেন ১০৮০পিতে ৩০এফপিএসএ।

মেমোরী

এই ফোনের র‍্যাম হিসেবে থাকছে ৮জবি, এবং ইন্টার্নাল স্টোরেজ হিসেবে থাকছে ১২৮জিবি। একটি সিম স্লট ব্যবহার করে বাড়ানী যাবে স্টরেজ।

ব্যাটারী

Vivo S1 Pro তে আছে ৪৫০০ mAh এর ব্যাটারী। এই ব্যাটারী দিয়ে একদিন নরমাল ইউজে ব্যাকাপ পাওয়া যাবেন অনায়াসেই। আর যেহেতু ১৮ওয়াট ফাস্ট চার্জ সাপোর্ট করে সেজন্য ব্যাটারী চার্জিং টাইম নিয়ে কোন ঝামেলা নেই। সো চিল।

সাউন্ড, কানেক্টিভিটি এবং ফিচার্স

এই ফোনে ব্যবহার করা হয়েছে লাউডস্পিকার এবং ৩.৫এমএম অডিও জ্যাক। যার কারনে আপনি যেকোন ইয়ারফোন/হেডফোন ব্যবহার করতে পারবেন কোন ঝামেলা ছাড়াই। আর ওয়াই-ফাই হিসেবে থাকছে ডুয়াল ব্যান্ড। যার কারনে আপনি ৫গিগাহার্টজ ব্যান্ডের ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সুবিধাও নিতে পারবেন। এবং এতে ওটিজি ব্যবহার করা হয়েছে। নেই বিল্ট-ইন এফএম রেডিও, সাথে জিপিএস। এবং টাইপ-সি পোর্ট। এবং এক্সট্রা ফিচার্স হিসেবে আছে accelerometer, gyro, proximity, compass সেন্সর সমূহ। এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরটি আছে ডিসপ্লে এর নিচে। অর্থাৎ অপটিক্যাল ফাইবার দ্বারা রিড নিবে সেন্সরটি।

মোটামোটি ডিসেন্ট লেভেলের পারফরমেন্স নিয়ে যারা সন্তুষ্ট থাকবেন, তাদের জন্য এই ফোনটি রিকমান্ডেড। ভালো কথা টুকটাক গেইমিং যারা করে থাকবেন তারা এই ফোন ব্যবহার করতে পারেব অনায়াসেই। আর ফটোগ্রাফি লাভার আপনারাও কিনতে পারেন। মিড বাজেটে এই ফোন আসলেই আগুন।

Knight Black, Fancy Sky এই দুইটি কালার ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাবে এই ফোনটি।

যাইহোক কোন কিছু জানতে চাইলে কমেন্ট করতে পারেন। অথবা ফেসবুকে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন টেক রিলেটেড যেকোন কিছু জানাত জন্য।

আমার অন্য ফোনের আর্টিকেল পড়তে চাইলে ক্লিক করুন।

আমাকে ফেসবুকে ফলো করতে চাইলে ক্লিক করুন এখানে।

ভালো থাকবেন।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here