তোমরা তাদেরকে যেখানে পাও সেখানেই মুশরিকদের হত্যা করো।

তোমরা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর, মুশরিকদের হত্যা করো , তাদের দেখা পেলেই মেরে ফেলো।
পবিত্র কোরআন শরিফের এরকমি কিছু আয়াত দেখেই মুসলিমদের দিকে তাকিয়ে এমন এক হাসি দেয় আমার  নাস্তিক ভাইবোনেরা যা সত্যি দেখার মতো ।
মুহূর্তেই বলে উঠে, এই তো  পাইছি এবার যাবে কই। “মুসলিম রে মুসলিম , শালা জঙ্গি’, এরকম সব অশ্লীল ভাষা ভেসে আসে।

কিন্তু আসলেই কি যেখানে হত্যা করার বলা আছে? আর থাকলেও তা কি এমনি এমনি?

ইসলাম কি এতটাই বর্বর ধর্ম ?

না, এই  জায়গাটাতেই আমাদের অনেক ভাই-বোন ভুল করে বসেন কিছু না ভেবেই কিছু না দেখেই ইসলাম কে নিয়ে। আচ্ছা যারা এসব কমেন্ট করে তারা কি সৎ সাধু ?থাক তাদের কথা না বলি কিন্তু ইসলাম কি সত্যি এসব বলে কিনা তা দেখে আসি আগে”””
কোরআনে সূরা বাকারার ১৯০-১৯৪ নাম্বার আয়াতেই আপনি পেয়ে যাবেন-
“আর তোমাদের সাথে যারা যুদ্ধ করে তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর পথে যুদ্ধ করো তবে সীমালঙ্ঘন করো না। কারণ আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীকে পছন্দ করেন না ।

আর যেথায় তাদের সাথে তোমাদের মোকাবিলা হয় তোমারা যুদ্ধ করো এবং তাদের উৎখাত করো যেখান থেকে তারা তোমাদের উৎখাত করেছে। কারণ মানুষ হত্যা যদিও খারাপ তবে ফিতনা তার চেয়েও বেশি খারাপ। আর মাসজিদুল হারামের কাছে যতক্ষণ তারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ না করে,তোমরাও যুদ্ধ করো না। কিন্তু যদি তারা সেখানে যুদ্ধ করতে সংকোচবোধ না করে, তাহলে তোমরাও নিসংকোচে তাদেরকে হত্যা করো। কারণ এটাই এ ধরনের কাফেরদের যোগ্য পাওনা । তারপর তারা যদি থেমে যায় তাহলে জেনে রাখ আল্লাহ ক্ষমাশীল ও অনুগ্রহকারী।


হ্যা এভাবেই কাট ছাট করে কিছু নাস্তিকেরা ইসলামকে তুলে ধরছে নারী বিদ্বেষী নারী কামী কিংবা বর্বর ধর্ম হিসাবে।
আর খুব সহজেই আমার মুসলিম ভাই ও বোনের পা দিচ্ছেন তাদের জালে।
হায় কি করূণ দৃশ্য !!!!
আচ্ছা আমায় একটা কথা বলেন তো কি রকম হলে এরা ইসলামকে মেনে নিত?
এমন হলে কি তারা মানতো?

আপনার মতে কি হওয়া উচিত ছিল ?

“তোমাদের উপর যারা অত্যাচার করে তাদের উপর তোমার সহিষ্ণুতা দেখাও।
তারা যদি তোমাদের বাড়ির মেয়েদের অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে জিনায় লিপ্ত হয় তারপরো তোমরা চুপ থেকো।   যারা  তোমাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থকে  অসম্মান করে তোমরা তাদের সম্মান করো।
তোমাদের বাচ্চার উপর যারা অত্যাচার অবিচার করে তাদের বন্ধুর দৃষ্টিতে দেখো।
অন্যায়,নির্যাতন , ফিতনা সব সহ্য করে নাও, কেননা যুদ্ধের চেয়ে মুখবুজে সহ্য করাই তো ভালো।

হ্যা তারা বলে এরকম কিন্তু সত্যি যদি এমন হতো, তাহলে তো , থাক আর না বলি। কেননা তখন তাদের মুখে শুধুই ফুটে উঠত নিচের কথাগুলো।
“বাহ!!!
জ্ঞানী-গুণি যেই মানুষগুলো বলে যেখানে অন্যায় দেখো সেখানেই ঝাপিয়ে পড়,সেখানে কোরআনে লেখা ঐসব  কিযে একটা অবস্থা,
” ইসলাম তো ভীতু ধর্ম সবকিছুতেই চুপ থাকে, এদের দ্বারা কিচ্ছু হবে নাহ।”

আসলে যাই বলেন,
এদের কোনোদিন ইসলামের বাণী কতটা কল্যাণকর মাথায় কোনোদিন আসবে নাহ শুধু ইসলামকে হেয় করাই এদের কাজ, আর তার জন্য কত কি, কি করতে পারে তা তো দেখলেন ই।
এখন আপনিও কি এক স্বাধীনচেতা মানুষ হয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়বেন এসব কাট ছাট করে?

যাই করেন, আমি কোনো ডিসিশন দেয়ার  কেউ নই। শুধু একটা কথা বিবেক প্রশ্ন করুন।
যদি মুসলিম হয়ে থাকেন তবে কেউ কোনো বাজে মন্তব্য করলে তার কথা শোনার আগে ইসলাম কি বলছে তা শুনুন?
আর আমার অমুসলিম ভাই বোনেরা ইসলাম সমন্ধে কোনো খারাপ মন্তব্য করার আগে একটু জেনে নিবেন দয়া করে সত্যি কি ইসলাম এই খারাপ মন্তব্যের যোগ্য নাকি নয়।

ধন্যবাদ। এরকমই পোস্ট পেতে- আমাদের আরো একটী ব্লগ ভিজিট করতে পারেন-

মাসায়ালা সংক্রান্ত কিছু জানতে এখানে ক্লিক করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here